ঢাকাSaturday , 10 October 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. খেলাধুল
  4. জাতীয়
  5. বিনোদন
  6. বিশ্ব
  7. রাজনীতি
  8. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দখলদূষণে বিলীনের পথে রামগতির ভুলুয়া নদী খননের কথা থাকলেও স্পষ্ট কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

Mahamudul Hasan Babu
October 10, 2026 2:03 pm
Link Copied!

আবু সালমান  রামগতি (লক্ষীপুর) প্রতিনিধি :লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপ্রবাহ ভুলুয়া নদী। একসময় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পানি নিষ্কাশনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল নদীটি। তবে সময়ের সঙ্গে দখল, ভরাট ও অব্যবস্থাপনায় নদীটির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। নদী খননের কথা বিভিন্ন সময়ে বলা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়েনি। ফলে অস্তিত্ব সংকটের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশন নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।:

স্থানীয়দের ভাষ্য, রামগতি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে জলাবদ্ধতা ও বন্যার প্রভাব মোকাবিলায় ভুলুয়া নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত কয়েক বছর ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও জলাবদ্ধতার পরিস্থিতি দেখা দেওয়ায় নদীটি পুনঃখননের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিনেও নদীটির দখলমুক্তকরণ ও পরিকল্পিত খননের কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়দের অভিযোগ, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি, জেএসডি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নদী খননের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে এসব আশ্বাসের বাস্তব প্রতিফলন এখনো দৃশ্যমান নয়।

এদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে নদীর কিছু অংশ খনন করা হয়েছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে খননের পর উত্তোলিত মাটি নদীর পাড়ে ফেলে রাখায় পরবর্তী সময়ে সেই জায়গাও দখলের ঝুঁকিতে পড়ে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে খননের উদ্যোগ নেওয়া হলেও নদীর জায়গা সংরক্ষণ ও দখলমুক্ত রাখার কার্যকর ব্যবস্থা না থাকলে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া কঠিন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা,

এলাকাবাসীর দাবি, ভুলুয়া নদীর অবৈধ দখল চিহ্নিত করে উচ্ছেদ করতে হবে। পাশাপাশি বৈজ্ঞানিক ও পরিকল্পিত উপায়ে নদীটি পুনঃখনন, পাড় সংরক্ষণ এবং নিয়মিত তদারকির ব্যবস্থা করতে হবে। এতে নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরে আসার পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নতি হবে এবং জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ কমবে বলে আশা করছেন তাঁরা। স্থানীয়দের মতে, ভুলুয়া নদীকে শুধু আশ্বাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিলে নদীটির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা এবং এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করা সম্ভব হতে পারে।

​এই বিষয়ে জানতে চাইলে রামগতি পানি উন্নয়ন উপ-বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফয়সাল জানান, শুধু ভুলুয়া নদীই নয়, এ অঞ্চলের সব খাল ও ভুলুয়া নদী পুনঃখননের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাস হয়ে এলেই দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যাওয়া হবে।