মোঃ আকতারুজ্জামান রানা পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধিঃ রংপুরের পীরগঞ্জে এক যুবককে অপহরণ করে একটি বাড়িতে আটকে রেখে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ উঠেছে তিন যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধারসহ তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন,পীরগঞ্জ সদর এলাকার রাজা মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া, সর্দারপাড়া এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে খোকন এবং আনারুল ইসলামের ছেলে সাগর মিয়া।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সোহেল রানা তাঁর চাচার ব্যবহৃত ব্যাটারিচালিত তিন চাকার ভ্যান নিয়ে সর্দারপাড়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন। পীরগঞ্জ পৌরসভার ঈদগাহ মাঠের পেছনে পৌঁছালে আগে থেকে সেখানে অবস্থান করা অভিযুক্তরা তাঁর পথরোধ করেন।
এ সময় অভিযুক্তরা সোহেল রানার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক তাঁকে অপহরণ করে জুয়েল মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সেখানে তাঁকে আটকে রেখে একপর্যায়ে সিগারেটের আগুন দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়। পরে তাঁর পরিবারের কাছে মুঠোফোনে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। রোববার দুপুরে কোনো উপায় না পেয়ে সোহেল রানা বিষয়টি পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চালায়। বিভিন্ন সময়ে অবস্থান পরিবর্তনের পর দিনভর অভিযান চালিয়ে রোববার সন্ধ্যায় পীরগঞ্জ পৌরসভার বালুয়াহাট এলাকা থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং তিন অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় সোমবার সোহেল রানা বাদী হয়ে পীরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলাটির নম্বর ০৪/৩৪১।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক বলেন, গ্রেফতার তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন,পীরগঞ্জ সদর এলাকার রাজা মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া, সর্দারপাড়া এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে খোকন এবং আনারুল ইসলামের ছেলে সাগর মিয়া।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সোহেল রানা তাঁর চাচার ব্যবহৃত ব্যাটারিচালিত তিন চাকার ভ্যান নিয়ে সর্দারপাড়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন। পীরগঞ্জ পৌরসভার ঈদগাহ মাঠের পেছনে পৌঁছালে আগে থেকে সেখানে অবস্থান করা অভিযুক্তরা তাঁর পথরোধ করেন।
এ সময় অভিযুক্তরা সোহেল রানার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক তাঁকে অপহরণ করে জুয়েল মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সেখানে তাঁকে আটকে রেখে একপর্যায়ে সিগারেটের আগুন দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়। পরে তাঁর পরিবারের কাছে মুঠোফোনে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। রোববার দুপুরে কোনো উপায় না পেয়ে সোহেল রানা বিষয়টি পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চালায়। বিভিন্ন সময়ে অবস্থান পরিবর্তনের পর দিনভর অভিযান চালিয়ে রোববার সন্ধ্যায় পীরগঞ্জ পৌরসভার বালুয়াহাট এলাকা থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং তিন অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় সোমবার সোহেল রানা বাদী হয়ে পীরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলাটির নম্বর ০৪/৩৪১।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক বলেন, গ্রেফতার তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
—
