মোঃ আকতারুজ্জামান রানা পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধিঃ রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার করতোয়া নদীর পাড়গুলো শরতের সাদা কাশফুলের দোল খাওয়া আর নদীর নির্মল বাতাসে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে সেজেছে। নদীর বুকে জেগে ওঠা বালুচরে সারি সারি কাশফুলের শুভ্রতা মুগ্ধ করছে স্থানীয়দের। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে প্রকৃতির এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতোয়ার চরে ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সী নারী পুরুষ।
শনিবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা গেছে, করতোয়া নদীর বিস্তীর্ণ বালুচরে ফুটে থাকা সাদা কাশফুল বাতাসে দুলছে। নদীর পাড়, খোলা আকাশ আর কাশফুলের শুভ্র মেলবন্ধনে তৈরি হয়েছে মনোরম পরিবেশ। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে অনেকেই এখানে সময় কাটাতে আসছেন। কেউ কাশফুলের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন, আবার কেউ নদীর পাড়ে বসে উপভোগ করছেন নির্মল প্রকৃতি।
শনিবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা গেছে, করতোয়া নদীর বিস্তীর্ণ বালুচরে ফুটে থাকা সাদা কাশফুল বাতাসে দুলছে। নদীর পাড়, খোলা আকাশ আর কাশফুলের শুভ্র মেলবন্ধনে তৈরি হয়েছে মনোরম পরিবেশ। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে অনেকেই এখানে সময় কাটাতে আসছেন। কেউ কাশফুলের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন, আবার কেউ নদীর পাড়ে বসে উপভোগ করছেন নির্মল প্রকৃতি।
করতোয়ার তীরে পার কুয়েতপুর গ্রামের বাসীন্দা ইউপি সদস্য নূর মোহাম্মদ গোল্লা জানান, শরৎ এলেই করতোয়ার চরের চেহারা বদলে যায়। বিস্তীর্ণ এলাকা ছেয়ে যায় সাদা কাশফুলে। ছুটির দিনে দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এখানে ঘুরতে আসেন। শিশু-কিশোরদের পাশাপাশি তরুণ-তরুণী ও পরিবারের সদস্যদেরও দেখা যায় প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে।
স্থানীয় বাসিন্দা মমিনুল হক বলেন, “শরৎ এলেই চরের চেহারা বদলে যায়। বিকেলে এখানে হাঁটতে এলে মনটা ভালো হয়ে যায়।
দর্শনার্থীদের অনেকেই বলেন,ব্যস্ত জীবনের একঘেয়েমি কাটাতে প্রকৃতির কাছে কিছু সময় কাটানোর সুযোগ পাওয়া যায় করতোয়ার চরে। নদীর বাতাস, খোলা আকাশ ও সাদা কাশফুলের দৃশ্য মনকে প্রশান্ত করে। তাই সুযোগ পেলেই পরিবার নিয়ে এখানে ঘুরতে আসেন তারা। কাশফুলের এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে নৌকায় করতোয়া পার হয়ে যেতে হয়। কুয়েতপুর-হামিদপুর গ্রাম থেকে করতোয়া নদী পর্যন্ত সড়কটি সংস্কারের অভাবে বর্তমানে যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাস্তাটি সংস্কার করা হলে কৃষকদের উৎপাদিত ফসল সহজে ঘরে তোলা সম্ভব হবে। পাশাপাশি কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা দর্শনার্থীদের যাতায়াতও সহজ হবে।
নবাবগঞ্জ থেকে ঘুরতে আসা আজাদুল ও শুভ্র মিলন বলেন, কাশফুলের সৌন্দর্য খুব ভালো লাগছে। পরিবার নিয়ে ছবি তোলা আর নদীর পাড়ে বসে সময় কাটানোর জন্য জায়গাটি অপরুপ।
স্থানীয়দের অভিমত, করতোয়ার চরের কাশফুল এখন পীরগঞ্জের মানুষের কাছে শরতের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। পরিকল্পিতভাবে জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সংরক্ষণ করা গেলে ভবিষ্যতে এটি স্থানীয় বিনোদনপ্রেমী ও প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য আরও আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
–
