স্থানীয়রা জানান, সুজারকুঠি গ্রামের বাসিন্দা আতাউর মাস্টার স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি। তাঁর মেয়ে অনিকা আক্তার জেরিন টুকুরিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণিতে পড়ুয়া দুদিয়াবাড়ি গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাজিতের সঙ্গে জেরিনের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।
ঘটনার দিন রাতে সাজিত ওই কিশোরীর বাড়িতে গেলে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দেখতে পান। পরে তাঁকে গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে সারা রাত লাঠি ও প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে মারধর করা হয়। ভোররাতে সাজিতের পরিবারের সদস্যদের ডেকে তাঁর হাতে তাঁকে তুলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে আতাউর মাস্টার বলেন, “আমি জামায়াত করি। আমি ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সহসভাপতি। ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতিসহ আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করেছি।” মারধরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “একটু শাসন করা হয়েছে।”
অন্যদিকে, সাজিতের পরিবারের সদস্যরা জানান, তাঁকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের বিষয়টি তাঁরা আগে জানতেন না। তবে এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে তা অন্যায় হয়েছে বলে তাঁরা মন্তব্য করেন।
টুকুরিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, “আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। রাতে সেখানে ছিলাম। পরে অসুস্থতার কারণে সেখান থেকে চলে এসেছি।”
এ বিষয়ে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক বলেন, “এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
—
