জানা গেছে,শূন্য পাসের তালিকায় থাকা দাখিল মাদ্রাসা ১০টি ও উচ্চ বিদ্যালয় ২টি। এগুলো হলোÑ ছাতুয়া দাখিল মাদ্রাসা, অনন্তরামপুর দাখিল মাদ্রাসা, কুমরসহি দাখিল মাদ্রাসা, পতœীচড়া দাখিল মাদ্রাসা, মদনখালী দাখিল মাদ্রাসা, বড় আলমপুর দাখিল মাদ্রাসা, ছোট উজিরপুর দাখিল মাদ্রাসা, গন্ধর্বপুর দাখিল মাদ্রাসা, খেদমতপুর বালিকা দাখিল মাদ্রাসা ও জুনিদপুর দাখিল মাদ্রাসা। এছাড়া শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও ঘাষিপুর উচ্চ বিদ্যালয়।
ফল প্রকাশের পর এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষার্থীদের ফলাফল পর্যালোচনা করে শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
ঘাষিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধাণ শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান , আমার প্রতিষ্ঠান গত দুই বছর আগে এই প্রতিষ্ঠান পাঠদানের অনুমতি পেয়েছে। এ বছজর ১৮ জন পরীক্ষার্থী থাকলেও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১৫ জন, এরমধ্যে একজনও কৃতকার্য হয়নি। এছাড়াও এই প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক মাত্র ৪জন। এখনও বাকী শিক্ষকরা এমপিওভুক্ত হয়নি। আগামী দিনে ফলাফল ভাল করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান জানান প্রতিষ্ঠান প্রধাণদের কারন দর্শনোর নোটিশ প্রদাণ করা হবে, পাশাপাশি যে সকল প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে তাদের পড়াশুনা মান উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান উপজেলার ১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিপর্যয়ের ঘটনাটি হতাশাজনক, উত্তরনের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
—
