আবু সালমান রামগতি (লক্ষীপুর) প্রতিনিধি:লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে তালাকের পর সংসার চালিয়ে জাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. ইউছুফের মেয়ে আলপনার সঙ্গে একই এলাকার মো. মোস্তফার ছেলে মো. রাজুর বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর রাজু বিদেশে চলে যান। প্রায় এক বছর পর পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ ও কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি তালাকের পর্যায়ে পৌঁছায়। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি সালিসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল কাদির মাস্টার, সেকেরকিল্লা মসজিদের সেক্রেটারি মো. জামাল উদ্দিন, হাজীগঞ্জ বাজারের সেক্রেটারি মো. জসিম উদ্দিন, মো. গিয়াস উদ্দিন, মো. রানা, ইউছুফ মেম্বার, মো. শামীমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
সালিসি বৈঠকে স্বামী-স্ত্রী উভয় পক্ষকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্ধারিত সময় দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। সময় অতিবাহিত হওয়ার পর উভয় পক্ষ তালাকের বিষয়ে সম্মতি জানায় বলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবি। এরপর সালিসে উপস্থিত ব্যক্তিরা তালাকের কার্যক্রম সম্পন্ন করেন এবং কাবিনের টাকা মেয়েকে বুঝিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ঘটনার কিছুদিন পর আলপনার মা দাবি করেন, তাঁদের তালাক সম্পন্ন হয়নি। তাঁর অভিযোগ, মেয়ের জামাই তাঁকে তালাক দিয়ে আবারও সংসার করার চেষ্টা করছেন তাই আমি জামাইকে আমার বাড়িতে নিয়ে আসি।এ অবস্থায় কাবিনের টাকা চার লাখ থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, অভিযোগ রয়েছে, আলপনার মা রাজুকে তাঁদের বাড়িতে রেখে সংসার চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিচ্ছেন। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে নানা আলোচনা ও বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে।
নিকাহ রেজিস্টার মোহাম্মদ এলাহী বলেন বিবাহ বিচ্ছেদ ও তালাক হয়ে গেছে এখন একসাথে থাকার সুযোগ নেই
