মোঃ সাইফুল্লাহ , মাগুরা: মাগুরায় যুবদল নেতা শাকের হত্যা ও স্বর্ণ ডাকাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিনদিন নানা ধরনের রহস্য ঘুরপাক খাচ্ছে। সবশেষ যুবদল নেতা শাকের হোসেন হত্যা ও স্বর্ণ ডাকাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনায় এসেছে মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক গোলাম জাহিদের নাম।
মঙ্গলবার ৩ নভেম্বর ভোর ছয়টায় গোলাম জাহিদ ঢাকার উত্তরা থেকে আটক হয়েছে।
ইতিমধ্যে১০০ পিস স্বর্ণের বার নিয়ে গোলাম জাহিদ উধাও হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। স্বর্ণের বারগুলো কোথা থেকে এসেছে, কার মালিকানাধীন এবং গোলাম জাহিদের সঙ্গে আলোচিত হত্যাকাণ্ড ও স্বর্ণ ডাকাতির ঘটনার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না—তা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন। এছাড়া গোলাম জাহিদের প্রধান সহযোগী মারুফকে মাগুরা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ডে এনেছে এবং ডাকাতি হওয়া সোনা তার নিকট থেকে (৫০০গ্রাম সোনা) উদ্ধার করেছে।
যুবদল আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় মাগুরা জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক আলমগীর হোসেন জানান শাকের হত্যা এবং পরিকল্পনা ও সোনা ডাকাতিতে মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রভাবশালী এক নেতা জড়িত। সাকেরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা অবিলম্বে যুবনেতা শাকের হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী গোল্ড ডাকাতদের দেশবাসীর সামনে এনে শাকের হত্যা ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
মাগুরার আলোচিত এই ঘটনার সর্বশেষ এক প্রশ্নের জবাবে মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ বলেন আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে যুবদল নেতা শাকের হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য, স্বর্ণ ডাকাতি ও হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের রহস্য প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। খুব অল্প সময়ের মধ্যে সবার সামনে সকল রহস্য উন্মোচিত হবে।
