গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জ জেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের এক অডিটরের বিরুদ্ধে বেতন ফিক্সেশন সংক্রান্ত কাজের জন্য ঘুষ দাবি এবং অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে চরম অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার বিচার ও প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন । তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তা তাঁর বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক জুয়েল চন্দ্র চাঁদ তাঁর বেতন ফিক্সেশনের দাপ্তরিক কাজের জন্য জেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে যান। সেখানে দায়িত্বে নিয়োজিত অডিটর জনাব সুব্রত বাড়ৈ তাঁর কাছে অনৈতিক অর্থ দাবি করেন বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। ভুক্তভোগী শিক্ষক অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে অডিটর সুব্রত বাড়ৈ তাঁর সাথে চরম অসহযোগিতামূলক ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং কাজ আটকে দেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষক জানান, সরকারি দপ্তরে সাধারণ সেবা পেতে গিয়ে এমন অর্থ দাবি ও হেনস্তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি জেলা প্রশাসক-এর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে সকল তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনে প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানান।
অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত অডিটর সুব্রত বাড়ৈ-এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনাটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত ঘুষ দাবি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।
