আ: রশিদ তালুকদার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গাবসারা ইউনিয়নের ১৭টি মৌজার বিআরএস জরিপ বহাল রাখার দাবীতে মানববন্ধন করেছে ১৩ গ্রামের মানুষ| রবিবার (২৭ সেপ্টে¤^র) সকালে গোবিন্দাসী টাঙ্গাইল রোডে এ মানববন্ধন করে|
জানা যায়, ১৯৯৩ সালে এ উপজেলায় বিআরএস জরিপের কাজ শুরু করে ভূমি মন্ত্রণালয়| তারই ধারাবাহিকতায় গাবসারা ইউনিয়নের ১৭টি মৌজায় ১৯৯৬ সালে নকশার কিস্তার কাজ শেষ করে ডিপি খতিয়ান তৈরী করে মাঠ পরচা বিতরণ করে ভূমি মালিকদের মধ্যে| ১৯৯৭ সালে প্রায় ১০ হাজার খতিয়ানের উপর প্রায় ৩শত ৩০ ধারা আপত্তি দেয়া হয়| ২০১১ সাল পর্যন্ত সেসব আপত্তি যথাযথ শুনানীর মাধ্যমে নিস্পত্তি করা হয়| এ মৌজায় ১৬টি সিটের নকশা ভেঙ্গে ১৭ টি সিট তৈরী করাতে কিছু কিছু দাগে জমির পরিমান সামান্য কম বেশি পরিলক্ষিত হয়| সে সময় নকশার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও পরবর্তীতে বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাধানের আশর্^াস দেন দায়িত্বরত কর্মকর্তাগণ| কিন্তু পরবর্তীতে কোন সমাধান না করে গত ৩ সেপ্টে¤^র ২৬ইং তারিখে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের ভূমি রেকর্ড শাখার পরিচালক মো. মোমিনুর রশিদ ¯^াক্ষরিত এক চিঠিতে জপির কার্যক্রম স্থগিত করে পুনরায় ডিজিটাল জরিপ করার নির্দেশ দেন|
এদিকে দীর্ঘদিন যাবৎ এ সব মৌজায় হাল নাগাদ খাজনা পরিশোধ রশিদ ও খারিজ বাধ্যতামূলক হওয়ায় জমি বেচা-কেনা, খাজনা-খারিচ, ব্যাংক ঋণ বন্ধ থাকায় মহা বিপদগ্রস্থ হয় পড়েছে এলাকার মানুষ| অনেক দরিদ্র পরিবার নানা সমস্যায় জমি বিক্রি করতে চাইলেও বিক্রি করতে পারছে না| অন্যদিকে নতুন এ আদেশের কারণে ফুসে উঠেছে এলাকাবাসী| তাদের দাবী অতি সল্প সময়ের মধ্যে সম্প্রতি জারিকৃত আদেশ বাতিল করে বিআরএস জরিপ বহাল রাখার|
এ মৌজার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে প্রায় ৩৫বছর যাবৎ বিপদে ফেলে রাখছে এ এলাকার মানুষের| দিন যাচ্ছে আরো জটিলতা বাড়ছে| আমরা দ্রুত এর সমাধান চাই|
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মো. মাহবুব হাসান বলেন, বিষয়টি যাচাই করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে আলোচনা করে ঊর্দ্ধতন কর্তপক্ষকে অবহিত করা হবে|
