রওশন আলম,ডোমার (নীলফামারী) নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ১নং ভোগডাবুড়ী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে কর্মরত ফার্মাসিস্ট পলাশ চন্দ্র রায় সরকারি পরিবার কল্যান কেন্দ্রের ছাদে ছাগল, হাঁস-মুরগি ও কবুতর পালনের খামার করেছেন। কেন্দ্রের চত্বরে ঘাস আবাদ করছেন। তিনি চাকুরীজীবি নাকি খামারি এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, পরিবার কল্যান কেন্দ্রের চারপাশে আগাছা ও ময়লা-আবর্জনা জমে রয়েছে। ছাগল ও হাঁস মুরগীর নিরাপত্তায় মূল ও পাশের গেট প্রায়ই বন্ধ থাকে। পরিবার কল্যান কেন্দ্রের চত্বরে লাগিয়েছেন ঘাস। ফলে সেবা নিতে আসা মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।
পরিবার কল্যান কেন্দ্রের ছাদে ছাগল পালনের জন্য একটি টিনের চালা তৈরি করে ঘেরা দিয়ে সেখানে সরকারি অফিসের চেয়ার-টেবিল দিয়ে ছাগল ও হাঁস মুরগীর থাকার ব্যাবস্থা করেছেন। স্থানীয়দের দাবি, কেন্দ্রটি নিয়মিত খোলা হয় না এবং এতে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অনেকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে ছাদে ছাগল ও হাঁস পালন করতে দেখেছি। নিষেধ করার পরও তা বন্ধ হয়নি।
পরিবার কল্যান কেন্দ্রের পরিদর্শক শাহাদাত হোসেন জানান, পরিবার কল্যান কেন্দ্রে ছাগল পালনের বিষয়টি উপজেলা কর্মকর্তাকে অবহিত করেছেন।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তবিবুর রহমান (ভারপ্রাপ্ত) জানান, বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি। দ্রুত পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনবল সংকটের কারনে সেখানে শুধু একজনই কর্মরত রয়েছেন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, এসব স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের জায়গা ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার ও সেবা কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
