আমিরুল ইসলাম অল্ডাম মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি : মেহেরপুরের গাংনীতে চারুশিল্পী , বীর মুক্তিযোদ্ধা , জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের জাতীয় পরিষদের সদস্য ,বিপ্লবের ¯^প্ন দেখা, সমাজ পরিবর্তনের সংগ্রামে আমৃত্যু অবিচল কমরেড গোলাম মোস্তফা স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে|
আজ শুক্রবার বিকেলে সাহারবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ এমলাক হোসেন মুক্তমঞ্চ এ স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়| কমরেড গোলাম মোস্তফা স্মরণ কমিটি এই শোকসভার উদ্যোগ গ্রহন করেন|
সভায় সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ কৃষক ও গ্রামীণ মজুর ফেডারেশনের সভাপতি সজীব রায়| শোক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় কমিটির সমš^য়কারী ফয়জুল হাকিম|
অনুষ্ঠানে মেহেরপুর সরকারী মহিলা ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল আমিন ধুমকেতুর সঞ্চালনায় শোকসভায় স্মৃতিচারণ করেন, বন্ধুবর মুক্তিযোদ্ধা আনছারুল ইসলাম, মেহেরপুর শিল্পকলা একাডেমীর সাবেক সেক্রেটারী আনোয়ারুল হক কালু , গাংনী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এ্যাড. শফিকুল আলম, গাংনী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভূট্টো, গাংনী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলু, গাংনী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের কমান্ডার মতিয়ার রহমান, ছাত্র ইউনিয়ন ফাউন্ডেশনের সভাপতি মিতু সরকার, কমরেড গোলাম মোস্তফার সহ ধর্মিনী মেহেরন নেছা, প্রমুখ|
জামাতা হামিদুল ইসলাম হিøেল্লাল কমরেড গোলাম মোস্তফার জীবনীর তুলে ধরেন|
অনুষ্ঠানে ¯^াগত বক্তব্য উপস্থাপন করেন, কমরেড গোলাম মোস্তফার জামাতা , কাজীপুর কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়া|
বক্তারা বলেন, সাম্যবাদী সমাজ গঠনের জন্য কমরেড আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন| কমরেড গোলাম মোস্তফা কৃষক মজুর শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরী ও বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে নিরবে নিভৃতে সংগ্রাম করে গেছেন| তিনি একটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে আন্দোলন ও ভাষানীর ন্যাপ সংগঠনে যুক্ত হয়ে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে যুব সমাজকে সংগঠিত করে গেছেন| তার জন্য লাল সালাম|
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান| তিনি ৮২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন| তিনি শেষ ইচ্ছানুযায়ী তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে দান করেন|
শোকসভায় মরহুমের আত্মীয়¯^জন, বন্ধুবান্ধব ও শুভাকাংখীসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী উপস্থিত ছিলেন|
