স্টাফরিপোর্টার ( মাগুরা)।। মাগুরার মহম্মদপুরে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মধুমতি নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করায় আবাদি জমি,বসতঘর,গাছপালা ও বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি স্থাপনা প্রতিনিয়ত নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। বুধবার (১৯ আগস্ট সকালে ভাঙন কবলিত উপজেলার হরেকৃষ্ণপুর এলাকা পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেদবতী মিস্ত্রি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,,উপজেলার বসুরধুলজুড়ী, ভোলানাথপুর, রুইজানী, গোপালনগর, হরেকৃষ্ণপুর, ঝামা, চরঝামা ও দেউলীসহ বিভিন্ন এলাকায় মধুমতির ভাঙন তীব্র হয়েছে।
ভাঙনের কবলে পড়ে অনেক পরিবার তাদের বসতভিটা ও আবাদি জমি হারানোর শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে। প্রতিনিয়ত নদীর পাড় ভেঙে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বাড়ছে।
উপজেলার হরেকৃষ্ণপুর ভাঙন কবলিত এলাকা ও ঝামায় ৩০০ মিটার জিওব্যাগ ডাম্পিংয়ের স্থান পরিদর্শন করেছেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেদবতী মিস্ত্রী। এ সময় তিনি নদীভাঙনের পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন ইউএনও বেদবতী মিস্ত্রী। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি জানান।
এ সময় প্রেসক্লাব মহম্মদপুরের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি ও দৈনিক ইত্তেফাকের সংবাদদাতা মেহেদী হাসান পলাশ,সাধারণ সম্পাদক দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি, মো.মাসুদ রানাসহ স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নদী তীরবর্তী মানুষের দাবি, মধুমতির ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ও টেকসই ব্যবস্থা নেওয়া না হলে অল্প সময়ের মধ্যেই আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই স্থায়ীভাবে নদীভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।
