ঢাকাSaturday , 31 October 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. খেলাধুল
  4. জাতীয়
  5. বিনোদন
  6. বিশ্ব
  7. রাজনীতি
  8. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

উচ্ছেদের হুমকির ১০ দিন পর প্রবাসীর ঘরে আগুন

Mahamudul Hasan Babu
October 31, 2026 1:00 pm
Link Copied!

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের হুমকি দেওয়ার ১০ দিন পর এক প্রবাসীর বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর চাচাতো ভাই ও ভাতিজাদের বিরুদ্ধে। আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, নগদ টাকাসহ প্রায় ২২ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনার সাত দিন পার হলেও প্রতিকার না পেয়ে শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে পরিবারটি।

গত ২৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় উপজেলার চর এলাহী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সোলেমান মিস্ত্রির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন প্রবাসী ওমর ফারুকের স্ত্রী রেজিনা আক্তার সন্তানদের নিয়ে বাবার বাড়িতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যান। পরিবারের দাবি, তাঁরা বাড়ি ছাড়ার প্রায় ১০ মিনিট পর বসতঘরে আগুন দেওয়া হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং ঘরের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে যায়। এ ঘটনায় নগদ ৭০ হাজার টাকাসহ প্রায় ২২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি পরিবারের সদস্যদের।

প্রবাসীর মা সায়ের খাতুন লেদি অভিযোগ করেন, তাঁর ভাসুরের ছেলে মামুন (১৮) ঘরে আগুন দিয়েছেন। এর ১০ থেকে ১৫ দিন আগেও তাঁদের রান্নাঘরের চারপাশে ডিজেল ঢেলে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। সে সময় স্থানীয় এক ব্যক্তি মামুনকে ডিজেলের বোতলসহ দেখেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

প্রবাসীর বাবা মোতাহের হোসেন হোরন বলেন, তাঁর ভাই মাকছুদুর রহমান মিয়া, যিনি এলাকায় মিঞা ড্রাইভার নামে পরিচিত, এবং তাঁর ছেলেরা বিভিন্ন সময় তাঁদের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। সেই হুমকির প্রায় ১০ দিন পর ছেলের বসতঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত এবং তাঁদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মাকছুদুর রহমান মিয়া। তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। যেদিন আগুন লেগেছে, সেদিন আমি ও আমার ছেলেরা দোকানে বসা ছিলাম। স্থানীয় লোকজন এর সাক্ষী।’

অপর অভিযুক্ত মামুন বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাই না।’

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।