রাকিবুল ইসলাম কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ ইউনিয়নের মাস্টারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. হযরত আলী রকি নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারি ভাতা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া এবং ভাতার অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে?
অভিযোগকারী ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন ধরনের সরকারি ভাতা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন। এছাড়া অনেকের মোবাইল সিমও নিজের কাছে রেখে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, তারা বারবার যোগাযোগ করলে অভিযুক্ত ব্যক্তি “পরের মাসে ভাতা পাবেন” বলে আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করতেন। পরে তারা নাগেশ্বরী উপজেলা সমাজসেবা অফিসে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তাদের নামে সরকারি ভাতা ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। কিন্তু সেই ভাতার কোনো অর্থ তারা কখনো হাতে পাননি। তাদের অভিযোগ, ভাতার অর্থ অন্য কেউ উত্তোলন করেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. হযরত আলী রকির সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগীদের দাবি, এলাকার আরও কয়েকজন বাসিন্দাও একই ধরনের অভিযোগ করেছেন। তাদের ভাষ্য, সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এমনকি সম্প্রতি তার পরিবারের নতুন বাড়ি নির্মাণ নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অভিযুক্ত ব্যক্তি রায়গঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।
ভুক্তভোগীরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ ও প্রাপ্য সরকারি ভাতা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন
