ঢাকাSunday , 13 September 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. খেলাধুল
  4. জাতীয়
  5. বিনোদন
  6. বিশ্ব
  7. রাজনীতি
  8. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গোপালগঞ্জ-ঢাকা অভিযাত্রী কমিউটর ট্রেনে প্রথম মাসেই ২১ হাজার যাত্রী পরিবহন আয় ২৬ লাখ টাকা

Mahamudul Hasan Babu
September 13, 2026 4:33 pm
Link Copied!

মোঃ সাইফুর রশিদ চৌধুরী। ​নানা অনিয়ম, সিডিউল বিপর্যয় ও যাত্রীভোগান্তির অভিযোগ সত্ত্বেও চালুর প্রথম মাসেই গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে চলাচলকারী ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেনে যাত্রীদের অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে। যাত্রীদের এই আগ্রহ প্রমাণ করে এ রুটে সাশ্রয়ী ও নিরাপদ রেল যোগাযোগের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
​বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১০ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চালুর প্রথম এক মাসে শুধু ঢাকা ও গোপালগঞ্জ—এই দুটি প্রান্তিক স্টেশন থেকেই মোট ২১ হাজার ৪৯৭ জন যাত্রী যাতায়াত করেছেন। এসব যাত্রীর টিকিট বিক্রি থেকে রেলওয়ের আয় হয়েছে ২৬ লাখ ৭১ হাজার ৫৮৫ টাকা।
​এর মধ্যে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে গোপালগঞ্জগামী মোট ১০ হাজার ৯২৬টি টিকিট বিক্রি হয়েছে, যা থেকে আয় এসেছে ১৩ লাখ ৬৮ হাজার ৬১৫ টাকা। অন্যদিকে গোপালগঞ্জ প্রান্ত থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাতায়াত করেছেন ৯ হাজার ৫৭১ জন যাত্রী এবং সেখান থেকে রাজস্ব এসেছে ১৩ লাখ ২ হাজার ৯৭০ টাকা।
​প্রকাশিত এই হিসেব কেবল দুটি মূল স্টেশনের। কাশিয়ানী, কেরানীগঞ্জসহ রুটের মধ্যবর্তী অন্যান্য স্টেশনগুলোর তথ্য যুক্ত করা হলে মোট যাত্রীসংখ্যা ও রাজস্বের পরিমাণ আরও কয়েক লাখ টাকা বৃদ্ধি পাবে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
​তবে ট্রেনের এই সাফল্য ও জনপ্রিয়তার মাঝেই স্টেশন এবং আশপাশের এলাকায় বখাটে ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা। প্ল্যাটফর্ম ও ট্রেনের ভেতরে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন ও কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে।
​পাশাপাশি যাত্রী চাহিদা ও স্বাচ্ছন্দ্যের কথা বিবেচনা করে এ রুটে উন্নত মানের চেয়ার কোচ বা আসন ব্যবস্থা সংযোজনের দাবি জানিয়েছেন নিয়মিত যাতায়াতকারীরা। বর্তমানে ৬টি কোচ নিয়ে পরিচালিত এ ট্রেনে সাধারণ ও ‘মেট্রো টাইপ’ আসন ব্যবস্থা থাকলেও সুনির্দিষ্ট চেয়ার কোচ সংযোজন এবং আসনের নম্বর উল্লেখ করে টিকিট ব্যবস্থা চালু করলে ভ্রমণ আরও আরামদায়ক হবে বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।
​যোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, কিশোর গ্যাং দমন ও নিরাপত্তা জোরদার করা, সিডিউল পুনর্নির্ধারণ করে সময়ানুগ পরিচালনা নিশ্চিত করা এবং কাঙ্ক্ষিত চেয়ার কোচ ও অতিরিক্ত বগি সংযোজন করা গেলে ভবিষ্যতে এই রুটে ও রাজস্ব আয়—উভয়ই দ্বিগুণ করা সম্ভব।