ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচন আবার প্রমাণ হলো যে দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মনোনীত প্রার্থী মোঃ দেলাওয়ার হোসেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন ক্যাঙ্গারু নির্বাচন কমিশনের অধীনে যে নির্বাচন হলো যেখানে ব্যাপক অনিয়ম, জালিয়াতি, বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর এবং নির্বাচনী এজেন্ট ও কর্মীদের ওপর আক্রমণের হয়েছে।
পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আয়োজনে শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌরাস্তা মোড় হয়ে পুনরায় বাসস্ট্যান্ড চত্বরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বলেন, আপনারা প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় দেখেছেন নির্বাচনে কিভাবে জালিয়াতি করেছে। এই নির্বাচন কমিশনার অথর্ব নির্বাচন কমিশনার জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে ব্যর্থ হয়েছে আমরা এর পদত্যাগ দাবি করছি সেই সাথে প্রিজাইডিং অফিস সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানাই।
তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে জোরপূর্বক যে ফল তৈরি করা হয়েছে, তা দেশের গণতন্ত্রের জন্য এক কালো অধ্যায়। অনতিবিলম্বে এসব সহিংসতা বন্ধ ও অনিয়মে জড়িত দোষীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি আওতায় আনতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ বেলাল উদ্দিন প্রধান, জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীরসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং কর্মী-সমর্থক।
উল্লেখ্য যে গত ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ নির্বাচনে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিএনপি’র প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বে-সরকারি ভাবে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৫১৩ ভোট।
