ঢাকাMonday , 27 July 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. খেলাধুল
  4. জাতীয়
  5. বিনোদন
  6. বিশ্ব
  7. রাজনীতি
  8. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গোপালপুরের ধোপাকান্দিতে জলাবদ্ধতায় ২০০-২৫০ বিঘা ফসলি জমি অনাবাদি, স্থায়ী সমাধানের দাবি কৃষকদের

Mahamudul Hasan Babu
July 27, 2026 12:56 pm
Link Copied!

*রাহাত শরীফ, গোপালপুর প্রতিনিধি:*টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাহাপুর, পিচুরিয়া ও কৃষ্ণপট্টি—এই তিন গ্রামের প্রায় ২০০-২৫০ বিঘা বোরো ও আমন আবাদি ফসলি জমি দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত রয়েছে। এতে প্রায় ২০০ কৃষক চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। সময়মতো জমিতে আবাদ করতে না পারায় তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক বছর আগেও অস্থায়ীভাবে পানি নিষ্কাশনের একটি ব্যবস্থা ছিল। তবে চলতি বছর সেই ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জলাবদ্ধতা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। এছাড়া আগে সেখানে একটি ব্রিজ থাকলেও বর্তমানে সেটি অপসারণ করা হয়েছে। ফলে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না থাকায় কৃষিজমিতে পানি স্থায়ীভাবে আটকে রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, জলাবদ্ধ এলাকার মাত্র প্রায় ১ হাজার ফুট দূর দিয়ে ঐতিহ্যবাহী বৈরাণ নদী প্রবাহিত হয়েছে। তাই একটি খাল খনন অথবা পাইপলাইনের মাধ্যমে নদীতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হলে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধান সম্ভব।

কৃষক ইয়াসমিন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল সালাম পিন্টুর কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা এমন একটি স্থায়ী ব্যবস্থা চাই, যাতে প্রতি বছর সময়মতো জমিতে ফসল আবাদ করতে পারি।”

স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা আবু তাহের বলেন, “জলাবদ্ধতার কারণে আমরা জমিতে ফসল আবাদ করতে পারছি না। দ্রুত সমস্যাটির সমাধান হলে কৃষকরা উপকৃত হবেন।”

রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মো. নজরুল ইসলাম জাযান বলেন, “দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা গেলে কৃষকরা আবার জমিতে আবাদ করতে পারবেন। অনেক পরিবারের একমাত্র জীবিকার উৎস এই কৃষিজমি। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত।”

ধোপাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান স্থানীয় সংসদ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “প্রায় ১ হাজার ফুট খাল খনন অথবা পাইপলাইনের মাধ্যমে বৈরাণ নদীতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হলে এই জনপদের জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান হবে। এতে কৃষকরা স্বাভাবিকভাবে কৃষিকাজে ফিরতে পারবেন।”

এলাকাবাসীর দাবি, কৃষি উৎপাদন সচল রাখা এবং কৃষকদের দুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।